Swasthya Sathi card

Swasthya Sathi card: রাজ্যের সাধারন মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই কনাশ্রী, রুপশ্রী,যুবশ্রী, দুয়ারে রেশন থেকে স্বাস্থ্য সাথীর মত একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন।রাজ্য সরকার দ্বারা চালু হওয়া এই সরকারি প্রকল্পের তালিকাটা বেশ লম্বা। গোটা রাজ্যের প্রান্তিক মানুষ থেকে শুরু করে মফঃস্বল কিংবা শহর অঞ্চলের প্রায় প্রত্যেকটি মানুষই এই সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা নিচ্ছেন।

WB School Uniform: স্কুল পড়ুয়াদের ইউনিফর্ম নিয়ে বড় পদক্ষেপ নবান্নের, বিপাকে শিক্ষকেরা

রাজ্যবাসীর যাতে চিকিৎসা পেতে কোনও অসুবিধা না হয় সেকথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প (Swasthya Sathi card) চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে সব থেকে বড় বিষয় হল স্বাস্থ্য চেতনা। সেই সচেতনতা আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষের নেই। বর্তমান জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিঘ্নিত হয় বিভিন্ন কারণে। বর্তমান জীবনযাত্রা শারীরিক অবস্থার ওপর বিপুল প্রভাব ফেলে। বয়স্করাই শুধু নয়, যুবসম্প্রদায়ও নানান রোগে আক্রান্ত হন।

যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্যগত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আর্থিক চাপ পোহাতে হচ্ছে। কেউ সঞ্চয়ের প্রায় পুরোটাই ব্যয় করেছেন স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। সেই কারণেই রাজ্যবাসীর একটা বড় অংশকে স্বাস্থ্যসুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যার ফলে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের (Swasthya Sathi card) সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যেই সুবিধা ভোগ করছেন রাজ্যেবাসী।

ATM Transaction Limit: এটিএম থেকে আর ফ্রিতে টাকা তোলা যাবে না, RBI এর জারি করা নতুন নিয়ম, এখুনি পড়ুন

এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বিনামূল্যে রাজ্যের বাসিন্দারা যাতে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবা পান।তবে প্রথমেই সমস্ত রোগের চিকিৎসা এই প্রকল্পের আওতায় ছিল না। তবে বর্তমানে যে সমস্ত রোগগুলি স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের (Swasthya Sathi card) আওতার বাইরে ছিল সেগুলিকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা করানো যেতো না।

তবে এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya sathi) প্রকল্পের আওতায় চোখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। একেবারে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় এতদিন পর্যন্ত শরীরের বেশির ভাগ অংশের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সুবিধা মিলেছে। শুধুমাত্র চোখের চিকিৎসা ব্যতিরেখে এই প্রকল্পের কাজ গোটা রাজ্য ব্যাপি চলেছে।কিন্তু এতদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে শুধুমাত্র চোখের (eye problem) চিকিৎসার সুবিধা পেতেন না রাজ্যের মানুষ।

Adhaar Department Group C Reqruitment: আধার দপ্তরে গ্রুপ-সি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, জেনে নিন বিস্তারিত।

মুলত এই প্রকল্পের আওতায় এতদিন পর্যন্ত রাজ্যের বেশির ভাগ বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে চিকিৎসার প্রয়োজনে যাবতীয় ঔষধপত্র যেমন মিলেছে,তেমনি চিকিৎসার পর সুস্থ রোগী তার বাড়ি ফিরে যাওয়ার খরচের সুবিধা পর্যন্ত পেয়েছেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে।তবে এবার থেকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের (Swasthya Sathi card) আওতায় চোখের চিকিৎসাও করাতে পারবেন রাজ্যের মানুষ।

সম্প্রতি এ বিষয়ে গোটা রাজ্যের গরিব মানুষের কথা মাথায় রেখে এমনই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর মারফত। এই মর্মে গত কয়েকদিন আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যান সমিতির এক আলোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজ্যের যে কোনও বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে একেবারে বিনা মূল্যে চোখের চিকিৎসা করাতে পারবেন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের গ্রাহকরা।

Ration Card New Update:বাতিল হচ্ছে অনেকেরই রেশন কার্ড। কী ভাবে বুঝবেন আপনার রেশন কার্ড ঠিক আছে কিনা? জেনে নিন বিস্তারিত।

অর্থাৎ রাজ্যের যে সকল মানুষেরা স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতাধীন তারা এবার থেকে শুধুমাত্র চোখের রোগ যেমন ছানি অপারেশন থেকে শুরু করে চোখের যাবতীয় রোগের চিকিৎসা বিনামুল্যে করাতে পারবেন বেসরকারি চিকিৎসালয়ে। এক্ষেত্রে শরীরের অন্যান্য রোগ এবং জটিল অপারেশনের সঙ্গে চোখের অপারেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় ওই বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে রোগীর যাবতীয় চিকিৎসার খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে।

এ বিষয়ে সরকারি তরফে জানানো হয়েছে শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চোখ। তাই চোখের চিকিৎসা সবার আগে প্রয়োজন। কিন্তু রাজ্যের গরিব মানুষেরা এতদিন পর্যন্ত উপযুক্ত টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা করানোর সুবিধা পেতেন না। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন বেশির ভাগ খেটে খাওয়া দিন মজুর মানুষ।স্বভাবতই এই ঘোষণায় জনসাধারণ যথেষ্ট স্বস্তিতে রয়েছে।

রাজ্যের যে সব বেসরকারি চিকিৎসালয়ে চোখের চিকিৎসা করানোর মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো রয়েছে সেই সব বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হয়ে গেলে গোটা রাজ্যের মানুষের চোখের যাবতীয় রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যাপক সুবিধা মিলবে বলেই আশাবাদী রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।এই উদ্যোগের ফলে রাজ্যের বহু মানুষ উপকৃত হবে বলে মনে করছেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

By Probir Biswas

আমি প্রবীর বিশ্বাস Webscte.in এ সকল প্রকারের স্কলারশিপ সহ বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য, সাথে টেক নিউজ, বিনোদন, ব্যবসা-বানিজ্যের ওপরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে থাকি, ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.