Primary Teacher Recruitment: অবশেষে কাটল জট! পুজোর আগেই প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেতে চলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা

Primary Teacher Recruitment: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সীমাহীন দুর্নীতি আর সুদীর্ঘ টানাপোড়ন চলছে। এই দুর্নীতির জেরে বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ১৬৯ জন শিক্ষক তাদের চাকরি হারিয়েছেন। প্রাথমিক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলেও নানা অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।

২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা হয়েছিল। ২০১৫ সালে তার ফল প্রকাশ হয়। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই পরীক্ষায় ৬টি প্রশ্ন ভুল ছিল। আর এই মর্মে অনেকেই হাইকোর্টে মামলা করেন।মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, প্রাথমিকে ৬টি প্রশ্ন ভুল থাকার কারণে তারা চাকরি পাননি।

Advertisement

রেলওয়ে গ্রুপ ডি লেভেল ১ পরীক্ষার প্রার্থীদের জন্য রেলওয়ে নিয়োগ পর্ষদের তরফে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল

এই মামলা দীর্ঘদিন ধরে চলার পর ২০১৮ সালে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ওই ৬টি প্রশ্নের যাঁরা উত্তর দিয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেককে নম্বর দিতে হবে। এরফলে টেট উত্তীর্ণ হন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা চাকরি পাওয়ার যোগ্য। পর্ষদ জানায় ভুল হয়েছিল, কিন্তু শূন্যপদ না থাকায় নিয়োগ করা সম্ভব নয়।অবশেষে তাদের লম্বা লড়াই শেষ। দুর্নীতি আর দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ১৮৭ হবু শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাথমিকে নিয়োগ পেতে চলেছেন।

Advertisement

হাইকোর্টের (high court ) নির্দেশের পরেই চাকরির জন্য সুপারিশপত্র দিল পর্ষদ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বলেন বহু বছর ধরে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। তাই আর সময় দেওয়া সম্ভব নয়। শূন্যপদ না থাকলে তা তৈরি করে এই ১৮৭ জনকে নিয়োগ করতে হবে বলে জানান বিচারপতি। প্রশ্ন ভুল মামলায় আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

DA Latest News: বড় খবর!কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধির আগেই বড় ধাক্কা

প্রথম ধাপে ২৩ জন, পরবর্তী ধাপে ৫৪ জন এবং শেষে ১১২ জনকে নিয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সময়সীমার মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পর্ষদ। আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ১৮৭ জন চাকরিপ্রার্থী ইন্টারভিউতে ডাক পান। ১৯ সেপ্টেম্বর আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়।

তাঁদের নথি পরীক্ষার পর ১৮৭ জনের মধ্যে ১৮৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। পুজোর আগেই এঁরা প্রত্যেকে নিয়োগপত্র পেয়ে যাবেন বলে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর ২ জনের ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি পাওয়া যাওয়ায় আপাতত তাঁদের চাকরির সুপারিশপত্র দেওয়া হয়নি। এই দুজনের বিষয়ে আদালতকে জানানো হবে। আদালতের সিদ্ধান্তের পরই এই দুজনের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

786 number note of 10: ১০ টাকার এক বিশেষ নোট থাকলে ঘরে বসেই ৫ লাখ টাকা পেয়ে যেতে পারেন, কীভাবে জেনে নিন

১৮৫ জনের চাকরির সুপারিশ পত্র বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সংসদকে বৃহস্পতিবার পাঠিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শুক্রবার বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের অফিস থেকে ওই চাকরি প্রার্থীরা নিয়োগপত্র পাবেন। যদিও কলকাতা হাইকোর্টের ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ ছিল। সেই নির্দেশ মতোই সময় সীমার আগেই চাকরির সুপারিশপত্র দিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

অর্থাৎ পুজোর আগেই চাকরি প্রার্থীরা প্রাথমিকে চাকরি পেতে চলেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে শেষমেশ নিয়োগ হচ্ছে। ১৮৭ জন হবু শিক্ষক-শিক্ষিকা দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়োগের আশায় ছিলেন।অবশেষে আদালতের কড়া নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জোরকদমে নিয়োগ (Primary Teacher Recruitment) প্রক্রিয়ার কাজ করছে।

এইরকম আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

👍 Google News 👍 টেলিগ্রাম চ্যানেলে

Sunita Mallick

আমি সুনিতা মল্লিক Webscte.in এ সকল প্রকারের চাকরি ও শিক্ষার খুঁটিনাটি খবর সহ এই সাইটে সরকারি প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে থাকি, ধন্যবাদ।

Related Articles