Traffic Rules

Traffic Rules: রাস্তায় গাড়ি বা বাইক চালানোর সময় অনেকেই নিয়ম লঙ্ঘন করেন। কেউ জেনে শুনেই ট্রাফিক আইন মানেন না আবার কেউ না জেনেই এমন ভুল করে থাকেন। মোটরবাইক চালানোর সময়ে সতর্ক থাকা উচিত। সেটার নিজের স্বার্থেও আবার রাস্তার অন্যদের জন্যও বটে। সামান্য হেলমেট পরার মতো নিয়মটুকু তো মানাই যায়।

কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় বাইক চালানোর সময়ে ট্রাফিক আইন মানেন না। যেমন- গাড়ি চালানোর সময়ে অনেকেই সিট-বেল্ট লাগাতে ভুলে যান। আবার কেউ কেউ বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরতে ভুলে যান। এই সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু পুলিশ আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রাথমিকের টেট সার্টিফিকেট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি

এমনকি আপনার গাড়ির আলো, হর্ন এইসব প্রয়োজনীয় জিনিস যদি ঠিকঠাক কাজ না করে তাহলেও পুলিশ আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এইসব নিয়ম না মানার কারনে অনেক সময় রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করাতে দেখা যায় ট্রাফিক কনস্টবলদের। শুধু তাই নয়, গাড়ির চাবিও খুলে নেন তার। কিন্তু এই ঘটনা ট্রাফিক আইন বিরুদ্ধ(Traffic Rules)। রাস্তায় আইন ভাঙ্গার কারনে একজন কনস্টেবল আপনাকে কখনই গ্রেফতার করতে পারেন না। এমনকি তারা আপনার গাড়ি আটকে রাখতে পারেন না।

নিয়ম না মানলে ট্র্যাফিক পুলিশকর্মী অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে পারেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে একজন ট্র্যাফিক কনস্টেবল আপনার মোটরসাইকেলের চাবি খুলে নেবেন। সেটা কিন্তু একেবারেই নিয়ম বিরুদ্ধ। আর এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়েছে।আপনি যদি নিয়মিত গাড়ি অথবা বাইক চালান তবে আপনিও নিশ্চয়ই জীবনে অন্তত একবার ট্রাফিক পুলিশের চালানের সম্মুখীন হয়েছেন।

আধারের সাথে মোবাইল নাম্বার লিঙ্ক করা আছে কি?সহজ

অনেকেই এই ধরনের পরিস্থিতিতে সন্মুখীন হলে ঘাবড়ে যান। তাই ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি অথবা বাইক দাঁড় করালে কখনও ঘাবড়াবেন না। এই সব সমস্যা থেকে বাঁচতে আমাদের অবশ্যই ট্রাফিক নিয়মাবলি জানা দরকার। চাবি খুলে নেওয়ার ঘটনা রাস্তাঘাটে নিয়মিত দেখা যায়। কিন্তু গাড়ির চাবি খুলে নেওয়া কতটা আইনসম্মত? এই পরিস্থিতিতে কী কী করণীয়? আপনার বাইক অথবা গাড়ি থেকে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী চাবি খুলে নিলে কী করবেন?জেনে নিন-

১৯৩২ সালের মোটর ভেইকেল আইন (motor vehicle act) অনুসারে ট্রাফিক আইন (Traffic Rules) লঙ্ঘন করা কোনো ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বা ফাইন করতে পারেন শুধুমাত্র ASI পদের পুলিশ অফিসার। সেক্ষত্রে ট্রাফিক কনস্টেবলরা শুধুমাত্র সাহায্য করতে পারেন উচ্চপদস্থ অফিসারকে অর্থাৎ ASI কে।

PF এর UAN নম্বর ভুলে গেছেন কি? এর সমাধান রয়েছে হাতের

গাড়ি অথবা মোটরসাইকেল থেকে চাবি খুলে নেওয়া একজন কনস্টেবলের এক্তিয়ারের মধ্যে পরে না, এমনকি চালকের সাথে কোনো খারাপ ব্যবহারও করতে পারবেন না তারা। যদি কখনও কোনো ট্রাফিক কনস্টেবল রাস্তায় আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা বা অভিযোগ জানাতে পারেন।

গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলো আপনার জানা দরকার:-

(১) পুলিশের কাছে যদি চালান বই অথবা ই-চালান মেশিন না থাকে, তবে কোনোমতেই আপনার চালান কাটতে পারবে না পুলিশ।

(২) ট্রাফিকের গায়ে উর্দি না থাকলে তিনি আপনাকে কোনোভাবেই জরিমানা করতে পারবেন না। তার পোষাকে অবশ্যই থাকতে হবে নাম ও বাকল নম্বর। পোষাক পরে না থাকলে আইডেন্টিটি কার্ড থাকতে হবে।

(৩) ট্রাফিকের হেড কনস্টেবল আপনাকে সর্বচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন, তার থেকে বেশী নয়। জরিমানার জন্য ASI অফিস্যারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

গাড়ি চালানোর সময় ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পলিউশন সার্টিফিকেট অবশ্যই সাথে রাখুন। আপনার জরিমানা হলে, যদি হাতে টাকা না থাকে তাহলে পরে জরিমানা দিতে পারবেন। তবে সেই ক্ষেত্রে অফিসার আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি জমা নিতে পারেন। যদি কর্তব্যরত কোনো কনস্টেবল অথবা অফিসার যদি আপনার মোটরসাইকেল অথবা গাড়ি থেকে চাবি খুলে নেয় তাহলে ঘাবড়ে যাবেন না। সঠিক আইন সম্পর্কে অবগত থেকে সেই অনুযায়ী মাথা ঠাণ্ডা রেখে কর্তব্যরত অফিসারের সঙ্গে কথা বলুন। তাও যদি কর্তব্যরত অফিসার আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় তাহলে সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করুন এবং লোকাল থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করুন। তার প্রমান হিসেবে ভিডিওটি দেখান (Traffic Rules)।

By Probir Biswas

আমি প্রবীর বিশ্বাস Webscte.in এ সকল প্রকারের স্কলারশিপ সহ বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য, সাথে টেক নিউজ, বিনোদন, ব্যবসা-বানিজ্যের ওপরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে থাকি, ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.