Gas Price

Gas Price: নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েই চলেছে। যত দিন যাচ্ছে ততই লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির জেরে মধ্যবিত্তের নাজেহাল অবস্থা। লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারনে আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে সাধারন মধ্যবিত্ত মানুষ। মধ্যবিত্তের হেঁশেলেও এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির থেকে বাদ পড়েনি। মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন ধরিয়ে রান্নার গ্যাসের দাম (Gas Price) বেড়েই চলেছে।

PM Awas Yojana New List: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নতুন লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে, ডাউনলোড করে দেখে নিন

একদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আর অন্যদিকে রান্নার গ্যাসের (Gas Price) দাম বাড়ায় মধ্যবিত্তের মাথায় হাত। বর্তমানে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে ১২০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। আর তাই খাওয়ার কথা ভাবলেই যেন গৃহস্থের গায়ে জ্বালানির ছ্যাঁকা লাগছে। অনেক মধ্যবিত্তের কাছে রান্নার গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়ার মত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এত দাম দিয়ে রান্নার জন্য গ্যাস কিনতে না পেরে ইতিমধ্যেই গোটা দেশের প্রান্তিক গরীব মানুষেরা রান্নার জন্য গ্যাসের বদলে সেই পুরনো পদ্ধতি কাঠের জ্বালানীকেই বেছে নিয়েছেন। অর্থাৎ দেশের গ্রামীণ এলাকার গৃহবধূরা রান্নায় গ্যাসের (Gas Price) বদলে কাঠের জ্বালানী ব্যবহার করছেন। এতে কিছুটা হলেও সাধারন মানুষের পকেটে টান কম পড়বে।

Loan For Farmers:স্বল্প (low interest) সুদের ভিত্তিতে কৃষকদের প্রায় ৩ লক্ষ টাকা কৃষি ঋণ দিচ্ছে সরকার

গোটা দেশের মায়েদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা(ujwala yojna) যোজনা চালু করেছিলেন। এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত সাড়া দেশে ফ্রিতে গ্যাসের কানেকশনের সঙ্গে একেবারে বিনামুল্যে একটিমাত্র গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন মোদী সরকার। কিন্তু সে তো মাত্র প্রথমবারের জন্য একটি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাবে।কিন্তু তারপর তো সেই ন্যায্য দাম দিয়েই কিনতে হয়। আগে যদিওবা গ্যাস সিলিন্ডার প্রতি ভূর্তুকি দিত সরকার,কিন্তু করোনা চলাকালীন অবস্থায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

লাগামছাড়া মুল্য বৃদ্ধির কারণ হিসাবে মোদী সরকারের ভ্রান্ত অর্থনীতি এবং গা জোয়ারিকেই দুষছেন গোটা দেশের মানুষ। সর্বোপরি পেট্রোল-ডিজেল কি হল তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাথাব্যাথার কারণ না থাকলেও রান্না ঘরের গ্যাসের অস্বাভাবিক দাম মেনে নিতে পারছেন না দেশের কোনও মানুষই। অন্যদিকে সাম্প্রতিক গোটা দেশ জুড়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সাথে জ্বালানি তেল কিংবা রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্ৰ সরকারকে কাঠ গড়ায় তুলেছে রাজ্য সরকার।

Business Idea: আপনি কি অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন ,তাহলে এই ব্যবসা করে লাখপতি হতে পারেন

সাম্প্রতিক বেহাল অর্থনীতির কথা চিন্তা করে ইতিমধ্যেই একাধাপ এগিয়ে গোটা রাজ্যের পুজো কমিটি গুলিকে ৬০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গোটা বাংলার ক্ষেত্রে এই দুর্গা পুজোর মাহাত্ম অনেক। পুজো এলে আপামর বাঙালীর আনন্দের সীমা নেই। নতুন নতুন জামাকাপড় থেকে শুরু করে চলে পেট পুড়ে খাওয়া দাওয়া।

এছাড়াও রাজ্যের মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিতে এই অনুদানের পাশাপাশি পুজো কমিটিগুলির বিদ্যুৎ বিলেও বিশেষ ছাড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিরোধীরা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে অহেতুক দান খয়রাতীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। রাজ্য সরকার যখন একধাপ এগিয়ে রয়েছে তখন কেন্দ্রিয় সরকার আবার বাদ যাবে কেন?

WB Health Recruitment 2022: মাধ্যমিক পাশে শুধু ইন্টারভিউ নিয়ে সামাজিক স্বাস্থ্য কর্মী পদে নিয়োগ

দেশের মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিতে কেন্দ্ৰ সরকারের তরফে চালু হল মাত্র ৬১৯ টাকায় কম্পোজিট গ্যাস (Gas Price) সিলিন্ডার। আসলে কথায় বলে বাঙালী ভোজন রসিক। তার ওপর সামনে দুর্গা পুজো। এই অবস্থায় উৎসব প্রিয় বিশেষ করে ভোজন রসিক বাঙালীর কাছে ১২০০ টাকা গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে মাত্র ৬১৯ টাকায় অপেক্ষাকৃত হাফ দামের এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার যে কিছুটা হলেও স্বস্তি তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।তাই মোদি সরকার এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার চালু করেছেন।

এই কম্পোজিট (compojeet cylinder) গ্যাস সিলিন্ডার কি?

এতদিন পর্যন্ত রান্না ঘরের ডোমেস্টিক গ্যাস ভরতি সিলিন্ডার যার ওজন ছিল ১৪.২ কেজি। বর্তমানে যে কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে তার ওজন ১০ কেজি। এই গ্যাস সিলিন্ডার মাত্র ৬১৯ টাকায় পাওয়া যাবে।এই মুহূর্তে এটি দেশের মানুষের জন্য ধামাকা অফার হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।

এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার কোথায় পাবেন?

যে কোনও গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটারের (distributor) কাছ থেকে গ্রাহকরা সহজেই এই ১০ কেজির কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার পেয়ে যাবেন। অপেক্ষাকৃত ওজন কম হওয়ায় সহজেই এই গ্যাস ভরতি সিলিন্ডার যে কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে।এই সিলিন্ডারে গ্রাহকরা তাদের ইচ্ছে মতো গ্যাস রিফিলিং করতে পারবেন।

এই গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকির ব্যবস্থা আছে কি?

এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেও কোনও রকম ভর্তুকির ব্যবস্থা নেই।

গত কয়েকমাস ধরে গ্রাহকরা অবশ্য তাদের ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারেও কোনও ভর্তুকি অর্থাৎ সাবসিডি পাচ্ছেন না। কারণ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী হঠাৎ করে না হলেও ধীরে ধীরে গৃহস্থের ব্যবহৃত ডোমেস্টিক (domestic cylinder) সিলিন্ডারে ভর্তুকি তুলে নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি কমার্শিয়াল ক্ষেত্রে ১৯.২ কেজি সিলিন্ডারে গত কয়েকদিন আগে মাত্র ৩৯ টাকা দাম কমানো হয়েছে। আর দেরি না করে এখনই মাত্র ৬১৯ টাকায় ১০ কেজির কম্পোজিট গ্যাস ভরতি সিলিন্ডার বাড়িতে নিয়ে আসুন। আপনার নিকটবর্তী ডিস্ট্রিবিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার ঘরে নিয়ে আসুন।

By Probir Biswas

আমি প্রবীর বিশ্বাস Webscte.in এ সকল প্রকারের স্কলারশিপ সহ বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য, সাথে টেক নিউজ, বিনোদন, ব্যবসা-বানিজ্যের ওপরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে থাকি, ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.