chutia police station

Chutia Police station: নিজের জন্ম স্থানকে গর্বের সঙ্গে সবার কাছে তুলে ধরতে চান বেশিরভাগ মানুষ।কারন আমাদের গ্রামই আমাদের পরিচয়। আমরা যেখানেই যাই সেখানে এই পরিচয় নিয়ে যাই। আমরা গর্ব করে আমাদের গ্রামের কথা বলি। কিন্তু পৃথিবীতে এমনও গ্রাম আছে, যার নাম গ্রামবাসীরা নিতে চায় না। তারা তাদের গ্রামের নাম নিতে খুব লজ্জা পায়। আজব নাম গ্রামের, লজ্জায় তা মুখেও আনতে পারেন না গ্রামবাসীরা। তাই গ্রামবাসীরা এই গ্রামের নাম পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়েছেন (Chutia Police station)।

ভারতীয় রেলে ৯,০০০ পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে? বিস্তারিত জেনে

শেক্সপিয়র বলেছিলেন, ‘নামে কী যায় আসে?’ কিন্তু ঝাড়খণ্ডের রাঁচির গ্রামবাসীদের এই প্রশ্ন করে দেখুন, তাঁরা হয়তো সকলে মিলে বলবেন ‘অনেক কিছু আসে যায়’। কারন রাঁচির এই এলাকার নাম “চুতিয়া (Chutia Police station) । অশ্রাব্য গালিগালাজের সঙ্গে এই নামের প্রবল মিল থাকায়, অস্বস্তিতে গোটা গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের গ্রামের নাম ও পুলিশ স্টেশন নিয়ে লোকে মস্করা করেন। তা যথেষ্ট আত্মসম্মানেরও গ্রামবাসীদের কাছে।

হিন্দিতে একটি চলতি অস্বস্তিকর শব্দের সঙ্গে এই জায়গার নামের হুবহু মিল। আর তাতেই চরম অস্বস্তিতে ওই গ্রামের বাসিন্দারা। থানার নামও গ্রামের নামেই। কারোর কাছে বলতেও লজ্জা পান বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার জেরে এবার গ্রাম ও পুলিশ স্টেশনের নাম বদলের দাবি তুলেছেন। তাই জেলা প্রশাসনের কাছে তাঁরা চিঠি লিখে জানিয়েছেন, থানার নামটা অন্তত বদলে দিন (Chutia Police station) ।

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা এখনও ঢোকেনি! তাহলে স্ট্যাটাস চেক

তবে প্রশাসনের কর্তারা গ্রাম ও থানার নাম বদলাবেন কিনা, তা জানা যায়নি এখনও। তবে এলাকার এমন নাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসাহাসি শুরু হয়েছে। এই চিঠিকে ঘিরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেজায় হাসি মস্করা শুরু হয়ে গিয়েছে। সংবাদপত্রে এনিয়ে খবর বের হতেই নেটিজেনরা একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লিখেছেন বেশ মজার তো বিষয়টা। কেউ বলছেন, নামটা বদলে ফেলাই ভালো। একজন লিখেছেন, কেউ তো আছেন যার বাড়ি ছিল চুতিয়ায় ও যিনি আমার ব্যাচমেট। অপর একজন লিখেছেন, টেকনিকালি আমারও বাড়ি চুতিয়ায়। আমার থানা এলাকা ছিল ওটাই।অপর একজন লিখেছেন, এই নামটা (Chutia Police station) নিয়ে মানুষজন খুব লজ্জিত,তাই এটা বদলে ফেললেই তো হয়।

ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় বাইকের চাবি খুলে নেওয়া কতটা আইনসম্মত জেনে নিন

অপর একজন লিখেছেন এই নামটা চুতিয়া না বলে চুটিয়া (Chutia Police station) বললেই তো মিটে যায়। অপর একজন লিখেছেন অসমিয়াতে আমরা এই নামটি সুতিয়া বলে ডাকব। কারণ অসমিয়াতে কোনও চ নেই।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নাম নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করছেন নেটিজেনের একাংশ।তবে কেউ আবার সহমর্মী গ্রামবাসীদের সঙ্গে। তাঁরাও এই নাম, যার সঙ্গে আশ্রাব্য ভাষার মিল রয়েছে তা বদলের দাবি তুলেছেন।

By Probir Biswas

আমি প্রবীর বিশ্বাস Webscte.in এ সকল প্রকারের স্কলারশিপ সহ বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য, সাথে টেক নিউজ, বিনোদন, ব্যবসা-বানিজ্যের ওপরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিয়ে থাকি, ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.