Arpita Mukherjee black dairy

Arpita Mukherjee black dairy: রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি কাণ্ডে তদন্তে নেমে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হচ্ছে। এই দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের পর ইডি তদন্তে নামতেই একের পর এক জায়গা থেকে উদ্ধার হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কয়েকটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি। তল্লাশি চালানোর পর উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা,একাধিক নথি সহ ৩টি ডায়েরি।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করে এখনও জানা যায়নি টাকার উৎসের ব্যাপারে। তবে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের হরিদেবপুরের অভিজাত ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া কালো ডায়েরিতে রহস্য রয়েছে এমনই ইঙ্গিত পাচ্ছেন ইডির গোয়েন্দারা। সেই ডায়েরির পাতা থেকেই এখন রহস্যের জাল ছাড়াতে ব্যস্ত ইডি। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে টাকার লেনদেনের হিসাব মিলবে ডায়রিতে এমনই দাবি ইডি-র। আর তাই এখন ডায়রিই ভরসা ইডির।

কালো ডায়েরি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে?

কোথা থেকে এত টাকা এল? এই কুবেরের ধন কি আসলে যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি অন্যদের মোটা দরে বিক্রি করে দেওয়ার টাকা? আর নিয়োগ দুর্নীতির রহস্য কি লুকিয়ে রয়েছে কালো ডায়েরিতে? ইডির সিজার লিস্টে দাবি করা হয়, এই কালো ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে।

কালো রঙের সেই ডায়েরির ওপর লেখা Department of Higher Education & School Education, Govt of West Bengal, ডায়েরির ৪০টি পাতায় লেখা রয়েছে। SSC দুর্নীতিতে সমস্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই কালো ডায়েরি। আর এই কালো ডায়েরি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে কী কী তথ্য মিলেছে ?

ইডি সূত্রে খবর এর মধ্যে ২টি ডায়েরিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। বিপুল পরিমাণ টাকা আসা-যাওয়ার হিসেব লেখা রয়েছে এই ডায়েরিতে এমনটাই দাবি ইডির। অর্পিতার ফ্ল্যাটে শুধু টাকা আসত না, নির্দিষ্ট লোকের কাছে টাকা যেতও।এই ডায়েরিতে টাকা-বাহকদের নাম, ফোন নম্বর-সহ সমস্ত তথ্য রয়েছে বলে ইডির দাবি।

অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া ৩টি ডায়েরিতে কার হাতের লেখা রয়েছে আপাতত এই প্রশ্নই ইডি-র তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে। সূত্রের খবর প্রয়োজনে হ্যান্ড রাইটিং বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হতে পারে। ডায়েরির (Arpita Mukherjee black dairy) ৪০টি পাতায় অনেক কিছু লেখা রয়েছে।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এখন সেই রহস্য উন্মোচনের চেষ্টায় রয়েছে।

অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া কালো ডায়েরির (Arpita Mukherjee black dairy) ওপরে লেখা রয়েছে উচ্চশিক্ষা ও স্কুলশিক্ষা দফতর? এই ডায়রিতে কেন এই লেখা রয়েছে। উদ্ধার হওয়া কালো ডায়েরি কি সরকারি? আর যদি সরকারের হয় তাহলে কালো ডায়েরি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে এল কী করে? এসব প্রশ্ন উঠছে।আর এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় ইডি।

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে কালো ডায়েরি ছাড়া আরও একটি এক্সিকিউটিভ ডায়েরি এবং একটি পকেট ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে ইডির সিজার লিস্টে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কালো ডায়েরি এখন আলোচনার শিরোনামে রয়েছে। কিন্তু সেই ডায়েরির পাতায় যে রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা ইডিকে রহস্য উন্মোচনার সঠিক পথ দেখাবে কী? এখন শুধু সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.